April 19, 2026, 2:38 pm

রুবেল মোল্যা সকলের সহযোগিতা আবারো নিজ বাচ্চার সাথে বাঁচতে চাই

বি এম বাবলুর রহমান (তালা – সাতক্ষীরা),,মানুষ মানুষের জন্য জীবন জীবনের জন্য একটু সহানুভূতি কি মানুষ পেতে পারে না,,,,

তালার শিবপুর গ্রামের পল্টী ব্যাবসায়ী রুবেল মোল্ল্যা মারাত্মক অসুস্থ তার দুটো কিডনি নষ্ট হয়ে গেছে অর্থঅভবে চিকিৎসা নিতে পারছে না, পরিবারের পক্ষ থেকে আর্থিক সহায়তা প্রার্থী।

মোঃ রুবেল মোল্ল্যা কিডনিজনিত রোগে ঢাকা শ্যামলী সিকেডি এন্ড ইউরোলজী হাসপাতালে ইউরোলজী বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ডাঃ কামরুল ইসলাম ও কিডনি ও ইউরোলজী বিশেষজ্ঞ ডাঃ তানভীর রহমান এর তত্ত্বাবধানে চিকিৎসাধীন রয়েছে।

মোঃ রুবেল মোল্ল্যা (২৬) তালা সদর ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ডের শিবপুর গ্রামের অসহায় দ্বিন মজুর মোঃ মুজিবর মোল্যার এক মাত্র পুত্র। মজিবর মোল্ল্যা নিজেও একজন হার্টের রোগী। এদিকে রুবেল মোল্ল্যার বাড়িতে স্ত্রী সহ ৩ বছরের এক কন্যা সন্তান আছে। ডাক্তার এর বিভিন্ন পরীক্ষার পর রিপোর্ট অনুযায়ী তার দুইটি কিউনী অকেজো এবং লিবারে পানি জমেছে এখন উন্নত চিকিৎসার প্রয়োজন।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, গত ১৪ ই জুলাই বুধবার তার রুবেল মোল্ল্যার মুখ ফোলা দেখে প্রথমে তালা হাসপাতালের ডাঃ আব্দুল্লাহ আল সোহান এর মাধ্যমে কিউনি ও লেবার পরিক্ষায় কিডনি ও লিভারে সমস্যা দেখা দেয়।

পরদিন ১৫ ই জুলাই পুনরায় তাঁকে খুলনায় ডাঃ মোঃ কুতুব উদ্দীন মল্লিক কে দেখানো হয়, পরিক্ষা অন্তে রুবেল মোল্ল্যার দুটি কিউনি নষ্ট লিবারে সমস্যা পাওয়া আছে বলে জানাযায়। এবং তার অবস্থান ভালো না দ্রুত তাকে ডায়ালাইসিস করতে হবে এবং কিডনি পরিবর্তন করতে হবে বলে জানান এই চিকিৎসক।
রাতেই খুলনা আবু নাসের হাসপাতালের সহযোগী অধ্যাপক ডাঃ হুমায়ুন কবির অপুর অবগতির ক্রমে যতদ্রুত সম্ভব বাংলাদেশের কিউনি বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ডাঃ মোঃ কামরুল ইসলাম কে দেখানোর পরামর্শ প্রদান করেন ।
গত সোমবার সাংবাদিক এস এম নজরুল ইসলাম এর একান্ত প্রচেষ্টায় যে এক্ষুনে যাবতীয় অর্থনৈতিক সহযোগীতার মাধ্যমে জরুরী ভিত্তিতে রুবেল মোল্ল্যাকে যশোর বিমানবন্দর থেকে বিমানযোগে ঢাকায় প্রেরণ পূর্বক ঢাকা শ্যামলী সি,কে,ডি এন্ড ইউরোজলী হাসপাতালে
অতিঃরিক্ত ভবনের তৃতীয় তালায় ৩৫ নম্বর বেডে চিকিৎসাধীন রয়েছেন বলে জানান গেছে।
চিকিৎসকের সূত্র মতে :- মোঃ রুবেল মোল্ল্যার জীবন বাঁচাতে কিউনি প্রতিস্হাপন ছাড়া সুস্হ্য হওয়ার সম্ভবনা কম। তারপরও তরুন বয়েসের দিক বিবেচনা করে বারবার ডায়ালাইসিস করে দেখবেন কিউনি সচলকরা যায় কিনা অন্যথায় কিডনি পরিবর্তন আবশ্যক। পরিবারের অর্থনৈতিক অসচ্ছলতার কারণে সুষ্ঠু চিকিৎসার ব্যবস্থা করতে ব্যহত হচ্ছে পরিবার। তার চিকিৎসার জন্য ৬-৮ লক্ষ টাকার প্রয়োজন।

মোঃ রুবেল মোল্ল্যার পিতা মজিবর মোল্ল্যা কান্নাজরিত কন্ঠে বলেন, “”আমি খুবই অসহায় মানুষ , টাকার অভাবে আমার ছেলের চিকিৎসার সু ব্যবস্থা করতে পারছেন না । তার কোন টাকা নাই।মামা সাংবাদিক এস এম নজরুল ইসলাম চিকিৎসার সকল দিক দেখছে প্রায় ১লক্ষাধিক টাকা দিয়েছেন। নিজেই সর্বত্র হারিয়ে প্রায় ৫০০০০/- পঞ্চাশ হাজার টাকা খরচ করেছে বলে জানান।তিনি আরো জানান
এখনো অনেক টাকার প্রয়োজন এত টাকা তিনি কোথায় পাবেন। সাংবাদিক দের মাধ্যমে তার কথা প্রধানমন্ত্রীর সহ সমাজের বিত্তশালী মানুষের কাছে সহযোগিতা চান। তিনি কাঁদতে কাঁদতে বলেন তার কথাটা প্রধানমন্ত্রীর কাছে পৌঁছায় দেবার জন্য অনুরোধ করেন। তাহলে হয়তো তিনি সহযোগিতা পাবেন।

রুবেল মোল্ল্যার জীবন বাঁচাতে ও তার পরিবারের অসহায়ত্ব রক্ষা করতে এবং সু-চিকিৎসার জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রী সহ সমাজের বিত্তশালী সকল মানুষের সহযোগিতা একান্তকামনা করছে তার পরিবার।
সহযোগীতা পাঠানোর ঠিকানা, অগ্রণী ব্যাংক তালা শাখা সঞ্চয়ী হিসাব নাং- ০২০০০১৬৮৬৭৫৫৭ ও বিকাশ পার্সোনাল ০১৯৮৮৯৬৯৭৭৭(রুবেল মোল্ল্যা) নিজ।

এই বিভাগের আরও খবর


অ্যামোনিয়া সংকটের কারণে চট্টগ্রামের আনোয়ারায় অবস্থিত দেশের একমাত্র রাষ্ট্রায়ত্ত ডাই-অ্যামোনিয়া ফসফেট ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (ডিএপিএফসিএল) সারকারখানার উৎপাদন কার্যক্রম বন্ধ হয়ে গেছে। শনিবার (১৮ এপ্রিল) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে কারখানার অ্যামোনিয়া মজুদ শেষ হয়ে গেলে কর্তৃপক্ষ সার উৎপাদন বন্ধ করতে বাধ্য হয়। ডিএপিএফসিএল সূত্রে জানা গেছে, গত ৪ মার্চ গ্যাস সংকটের কারণে চিটাগাং ইউরিয়া ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (সিইউএফএল) এবং কর্ণফুলী ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (কাফকো)-তে ইউরিয়া সার ও অ্যামোনিয়া উৎপাদন বন্ধ হয়ে যায়। অথচ ডাই-অ্যামোনিয়া ফসফেট ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (ডিএপিএফসিএল) প্রতিষ্ঠার পর থেকেই এই দুই কারখানা থেকে অ্যামোনিয়া সংগ্রহ করে সার উৎপাদন চালিয়ে আসছিল। ফলে সিইউএফএল ও কাফকো বন্ধ হয়ে যাওয়ায় ডিএপিএফসিএলে অ্যামোনিয়া সরবরাহ পুরোপুরি বন্ধ হয়ে পড়ে। এ অবস্থায় মজুদ অ্যামোনিয়া ব্যবহার করে কিছুদিন উৎপাদন অব্যাহত রাখা হলেও শেষ পর্যন্ত শনিবার সন্ধ্যায় তা ফুরিয়ে যায় এবং উৎপাদন বন্ধ ঘোষণা করা হয়। দেশের কৃষি খাতে সুষম সার ব্যবহারের নিশ্চয়তা এবং নাইট্রোজেন ও ফসফরাসসমৃদ্ধ যৌগিক সারের ক্রমবর্ধমান চাহিদা পূরণের লক্ষ্যে শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীনে বিসিআইসি নিয়ন্ত্রিত এই কারখানাটি প্রতিষ্ঠিত হয়। চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলার রাঙ্গাদিয়ায় স্থাপিত কারখানাটিতে দৈনিক ৮০০ মেট্রিক টন উৎপাদনক্ষমতাসম্পন্ন দুটি ইউনিট (ডিএপি-১ ও ডিএপি-২) রয়েছে। ২০০৬ সাল থেকে কারখানাটি বাণিজ্যিক উৎপাদনে রয়েছে। ডিএপিএফসিএলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মঈনুল হক জানান, গত ৪ মার্চ থেকে অ্যামোনিয়া সরবরাহ বন্ধ রয়েছে। মজুদ দিয়ে উৎপাদন চালানো হলেও এখন তা শেষ হয়ে গেছে। অ্যামোনিয়া সরবরাহ পুনরায় চালু না হওয়া পর্যন্ত কারখানার উৎপাদন বন্ধ থাকবে।

ফেসবুকে আমরা